ফ্যাক্ট ওয়াচ কি/কারা

আমরা একটি নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান; বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতির পরিবেশে বিভিন্ন ভূয়া খবরাখবর এবং বেঠিক ভাবাভাবি খোলাসা করায় কাজ করছি আমরা। এই কাজে অল্প কথায় বললে নিচের কয়েকটা জিনিস আমরা বাছবিচার করে দেখাই আমরা:

  • রাজনীতিবিদ এবং বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ মানুষজনের কথা বা বিবৃতি।
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন খবরাখবর।
  • মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় ছাপা হওয়া বিভিন্ন খবর

সাংবাদিক হিসেবে আমাদের মুন্সিয়ানা দিয়ে জনতাকে হুশিয়ার করে তোলাই আমাদের উদ্দেশ্য যাতে পুরাপুরি জেনেবুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারে জনতা।

ফ্যাক্ট-ওয়াচ.ওআরজি (Fact-Watch.org) হলো ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বা ইউল্যাবের একটি প্রজেক্ট। ২০১৭ সালের পয়লা নভেম্বর এটি কাজ শুরু করেছে।

কিভাবে কাজ করি আমরা

কাজের বেলায় পয়লা ধাপে আমরা বাছাই করি, কোন কোন জিনিস নিয়ে আমরা কাজ করবো; আমাদের হিসেবে বেঠিক হবার সম্ভাবনা, এমন সব জিনিস বাছাই করি আমরা। বা যেসব বিষয়ে অনেক ধোয়াশা, এদিক-ওদিক-সেদিক কয়েক ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে মেইনস্ট্রিম বা সোশ্যাল মিডিয়ায়, সিদ্ধান্ত নিতে মুশকিলে পড়ছেন জনগণ, তেমন সব বিষয় নিয়েও কাজ করি আমরা। তারপর আমরা ঐ সব বিষয়ে রিপোর্ট, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া পোস্ট, টিভির টক-শো, বিশেষজ্ঞ বা বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ মানুষজন আর  রাজনীতিবিদের বক্তব্য, প্রেস-রিলিজ ইত্যাদি যাচাই-বাছাই শুরু করি। যাচাই-বাছাই বা গবেষণা কাজে আমরা ভরসা করার মতো অনলাইন এবং অফলাইনে পাওয়া মালমশলা ব্যবহার করি; আমাদের ব্যবহার করা মালমশলা যে ভরসা করার মতো সেটা নিশ্চিত করতে আমরা বেনামী কোন কিছু হিসেবে নেই না। মেইনস্ট্রিম বা সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা কোন বিষয়কে সত্য মনে হলে আমরা সেটি একটি আর্টিকেল হিসাবে হাজির করি; খবর হিসাবে কোন কোনটা ততো দামী মনে না হলে আমরা হয়তো সেই বিষয়ে আর আগাই না।

কোন বিষয় বা খবর যদি আমরা দেখি সত্য নয় বা কোন একটা খবর যদি স্রেফ গুজব হয়, তার গোড়ায় কোন সত্য না থাকে তাহলে আমরা সাক্ষ্য-সাবুদ-আলামত জোগাড় করে আমাদের এডিটরদের কাছে পাঠিয়ে দেই। আমাদের এডিটররা তখন সেই সব সাক্ষ্য-সাবুদ-আলামত দিয়ে পুরা বিষয়টিকে একটি আর্টিকেল হিসাবে সাজিয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে তুলে দেন।

কোন একটা আর্টিকেল আমাদের ওয়েবসাইটে ছাপা হবার পরে সেই বিষয়ে আমরা যদি নতুন তথ্য-প্রমাণ দেখতে পাই, আমরা তখনই সেগুলি যাচাই-বাছাই শুরু করি এবং দরকারে ব্যাখ্যাসহ শুধরে নেই সেই আর্টিকেল।

এই প্রকল্প চলার পয়সাকড়ি

ঢাকার আমেরিকান সেন্টার থেকে ১ বছরের বাজেট হিসেবে ২৫০০০ মার্কিন ডলার পেয়ে Fact-Watch.org তার পথচলা শুরু করেছে।

ফ্যাক্ট ওয়াচ প্রকল্পে যারা কাজ করছেন

উপদেষ্টা

সুমন রহমান

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস-এ মিডিয়া স্টাডিস ও জার্নালিজমের অধ্যাপক সুমন রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি রিসার্চ অফিসের পরিচালক। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কালচারাল স্টাডিসে পিএইচডি করেছেন তিনি। পপুলার কালচার, কালচারাল স্টাডিস এবং সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অধ্যাপক রহমান বহুল প্রকাশিত।

 

 

নাইমুল করিম

৬ বছর জার্নালিজম এবং ৩ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবার অভিজ্ঞতা নাইমুল করিমের। ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস-এ মিডিয়া স্টাডিজ এবং জার্নালিজম বিভাগে সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াচ্ছেন তিনি। বাংলাদেশের পয়লা সারির ইংরেজি দৈনিক ‘ডেইলি স্টার’-এ নাইমুল করিম জড়িত আছেন ২০১২ সাল থেকে। এছাড়া ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ফার্স্টপোস্ট এবং দক্ষিণ এশিয়ার আরো কিছু প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত লিখছেন তিনি।

 

 

কাশফিয়া আরিফ

শিক্ষকতায় কাশফিয়া আরিফকে এখনো নতুনই বলা যায়, তার ঝোলায় মাত্র দেড় বছরের অভিজ্ঞতা। কিন্তু মিডিয়া জগতে তার অভিজ্ঞতা বেশ কয়েক বছরের; ‘আইস টুডে’ ট্যাবলয়েড ম্যাগাজিনে লাইফস্টাইল ও ফ্যাশন জার্নালিস্ট হিসাবে শুরু করে পরে এসিস্ট্যান্ট এডিটর হিসাবে কাজ করেছেন আর্ট ম্যাগাজিন ‘জামিনি’তে। ছিলেন সাহিত্য জার্নাল ‘সিক্স সিজনস’-এরও এসিস্ট্যান্ট এডিটর। শিক্ষকতা শুরুর ঠিক আগে বেঙ্গণ পাবলিকেশন্স এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশনে কাজ করেছেন। গবেষক হিসাবে তার নজর কালচার, আর্ট, ডিজিটাল মিডিয়া, পপ কালচার এবং ভক্ত ও অডিয়েন্স বিহেভিয়রে।

 

 

মাহমুদুন্নবী

দশ বছরাধিক সাংবাদিকতা জীবনের ইতি টেনে মাহমুদুন্নবী ইউল্যাবের মিডিয়া স্টাডিজ ও জার্নালিজম বিভাগে জ্যেষ্ঠ প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন ২০১৭ সালের অক্টোবরে। এ সুদীর্ঘ সময়ে তিনি এনটিভি, ইনডিপেনডেন্ট টিভিসহ দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন। মূলত সাংবাদিক হিসেবে যা অবলোকন ও অনুধাবন করেছেন তা নিয়ে উচ্চতর গবেষণার আকাঙ্ক্ষা তাকে কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনে ‍অনুপ্রাণিত করেছে। তারুণ্যের সাহচার্য ও পাঠদানের সুযোগ বাড়তি প্রাপ্তি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ‍অধ্যয়ন কালে তার সাংবাদিকতার শুরু। পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের লিডস ইউনিভার্সিটি থেকে ইন্টারনেশনাল জার্নালিজম বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

 

 

সম্পাদক

 

এস এম রেজাউল করিম

এনথ্রোপলজিস্ট থেকে লেখক হয়ে যাওয়া রেজাউল নিউ মিডিয়া নিয়েও নাড়াচাড়া করেন। বাংলাদেশের কয়েকটি মিডিয়ায় এডিটিং-এর কাজ করেছেন রেজাউল, সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইন্সটিট্যুটে পড়িয়েছেন। তার বাইরে বিভিন্ন অনলাইন এপ্লিকেশন বানানো এবং ঢেলে সাজাতে কিছু মুন্সিয়ানা আছে রেজাউলের।

সম্পাদনা সহকারি

 

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম

ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ-এ সাংবাদিকতা নিয়ে পড়ালেখা করছেন তিনি। ভালোবাসেন লিখতে এবং ভিডিও সম্পাদনা করতে।

 

ওয়েব ম্যানেজার

সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে  বছরের অভিজ্ঞতা লাভ করে কাজী রাজীব আহমেদ ইউল্যাবের ওয়েব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এবং fact-watch.org প্রকল্পে ওয়েবম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন  তিনি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবিথেকে বি.এস সি ইন কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঙ্গিনিয়ারিং এবং এমবিএ করেছেন তিনি একটি সফ্টওয়্যারকোম্পানির জন্য প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবেও কাজ করেছেন  অবসর সময়েতিনি গিটার বাজাতে পছন্দ করেন তিনি ভোকালিস্ট এবং গিটারিস্ট হিসেবে SENTINELS (সেন্টিনেলসনামে একটি মেটালব্যান্ডের সঙ্গে জড়িত আছেন