যদি শুনেন, ‘জীবনের টানে টানা ৪ দিন মরুভূমিতে হাঁটলো ছোট্ট এক শিশু অথবা ‘তপ্ত মরুভূমিতে একাকী ৪ বছরের শিশু, এমন সংবাদের আপনার সহানুভূতি সৃষ্টি হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু, ঘটনা যদি পুরোপরি সত্য না হয় তাহলে আপনার মনে কি দাগ কাটবে?

সম্প্রতি, সিরিয়ার-জর্ডানের সীমান্ত থেকে তোলা সিরিয়ান শিশু মারওয়ান এর ছবি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা উঠেছে সামাজিক মাধ্যম টুইটারে এবং বেশকিছু বিদেশী গণমাধ্যমে। এই আলোচনায় পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের গণমাধ্যম। বাংলাদেশের বেশকিছু অনলাইন নিউজ ফোটাল এবং জাতীয় দৈনিক এই বিষয়কে নিয়ে আবেগঘন নিউজ সাজায়।

মূল ঘটনা তুলে ধরেন দ্যা গাডিয়ান সংবাদ মাধ্যম। তারা প্রকাশ করেন, ইউএনএইচসিআর এর একজন প্রেস অফিসার যিনি সীমান্তে ছিলেন, তিনি বলেন- ‘মারওয়ান জর্দান পার হয়  এবং শিশুটিকে একা বর্ণনা করা ভুল ছিলো কারণ তার পরিবার তার আগে ২০ ধাপ এগিয়ে ছিল’। প্রেস অফিসার দ্যা গাডিয়ানের মাধ্যমে আরও জানান, শিশুটি সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার পরিবার এগিয়ে ছিল এবং সে পিছনের দিকে ছুটে গিয়েছিলো। এই হচ্ছে গল্প। সে একা অবিচ্ছিন্ন হিসেবে প্রবেশ করনি,  আক্ষরিক অর্থে সে ২০ ধাপ পিছনে ছিল’।

এই ঘটনার বিশ্লেষণ এবং সামাজিক মাধ্যম টুইটারের নানান বক্তব্য নিয়ে ওপেন নিউজরুমতাদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে। তারা প্রকাশ করে, সিরিয়ার-জর্ডানের সীমান্ত থেকে তোলা  আকর্ষণীয় ছবিটি নিয়ে ১৭ই ফেব্রুয়ারী, সিএনএন এর সংবাদ উপস্থাপক হিল গোরানি টুইট করেছিল। তার টুইট অনুযায়ী, ছেলেটি সিরিয়ার পরিবার থেকে পৃথক হওয়ার পর একা মরুভূমি অতিক্রম করে। এছাড়াও ওপেন নিউজরুম টুইটারের বেশকয়েকটি তথ্য প্রকাশ করেছে। টুইটারে প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন এবং পাল্টা প্রশ্নের জবাব গুলো ওপেন নিউজরুম তাদের অয়েভসাইটে উল্লেখ করে।

  • Read in English

Total
30
Shares

Leave a Reply

fact-watch