বাংলা ট্রিবিউন এবং বেশ কিছু অনলাইন সংবাদ মাধ্যম প্রকাশ করে, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কোটা সংস্কারের এই আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র হিসাবে দেখছেন। তিনি গত রবিবার রাতে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় দলের অপর নেতাদের কাছে জানতে চেয়েছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামা এরা কারা? এদের পারিবারিক পরিচয় কী? মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বহনকারী পরিবারের কোনও সন্তান এই আন্দোলনে জড়াতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের”।

‘নির্ভরযোগ্য সূত্রের’ তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ মাধ্যমগুলো প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য প্রকাশ করেছে। যদি তা সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হবে।কারণ বেশ কিছু মুক্তিযুদ্ধের সন্তান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সম্মতি এবং একমত পোষণ করেন।








সঠিক সত্যতা প্রকাশ পেলে পরিশেষে এই উপনীত হব যে, হয়ত সংবাদ মাধ্যম গুলো ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে, নতুবা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ভিত্তিহীন।

তবে, কোটা অব্যাহত রাখার পক্ষে কথা বলছেন এরকমও কিছু মুক্তিযোদ্ধাদের বংশধর আছেন। ১৫ মার্চ সংবাদমাধ্যমে প্রচলিত এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কিছু সংখ্যক লোক আছেন যারা কোটা সংস্কারের বিপক্ষে। “আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান” নামক এই প্রতিষ্ঠান্ত ১৬ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানব বন্ধন করে। তবে মানববন্ধনে উপস্থিত সমর্থকদের সংখ্যা সাম্প্রতিক আন্দোলনে অংশগরহনকারীদের থেকে অনেকাংশেই কম ছিল। অতএব “আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান”দের সিমীত পরিসরের আন্দোলনে আসলে সকল মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের সমর্থন নেই বললেই চলে।

প্রথম আলো/ আহমেদ দীপ্ত

 

  • Read in English

Total
2
Shares

Leave a Reply

fact-watch