টাইটানিক ডুবে যাওয়া, হিন্দেনবার্গ বিস্ফোরণ এবং টুইন টাওয়ার হামলা—হাজার হাজার মানুষের মরণ ঘটানো এমন সব মহাঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা একমাত্র মানুষ অ্যানা মে ডিকিনসন। এজন্য তাঁকে বলা হচ্ছে, “দুনিয়ার সবচেয়ে ভাগ্যবতী নারী।”

 

যেভাবে ছড়ালো

অ্যানা মে ডিকিনসনের একটি ছবি, যা ব্যবহার করে বলা হচ্ছে “চিরকালের দুনিয়ার সবচেয়ে ভাগ্যবতী নারী”। কিন্তু টাইটানিক দুর্যোগ থেকে অ্যানা মে ডিকিনসন নামের কোন নারীর ফিরে আসার গল্পের সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। ইন্সটাপাঙ্ক (http://web.archive.org/web/20061018100759/http://www.instapunk.com/archives/InstaPunkArchiveV2.php3?a=872 ) নামক একটি ওয়েবসাইটে  ৫ আগস্ট ২০০৬ সালে ‘সবচে বুড়ি ভিকটিম’ শিরোনামে একটি লেখা প্রকাশ করা হয়।

প্রবন্ধটি উপস্থাপন করে যে, ডিকিনসন এর বাড়িতে সমস্ত ঘড়ি স্থায়ীভাবে ২:২০-এ থামিয়ে রাখা হয়েছে, যখন টাইটানিক সাগরে ডুবে যায়। দাবি করা হচ্ছে যে, আনা মে ডিকিনসনের সাথে সাক্ষাত্কারটি মূলত নিউইয়র্ক ইন্টিজিনার্স নামে একটি প্রকাশনার মধ্যে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু সেই প্রকাশনার কোনও সতত্যা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ছবির নারী এবং তাঁর আসল পরিচয়

যাচাই করে দেখা যায়, টাইটানিকের যাত্রীদের তালিকায় আনা মে ডিকিনসন নামে কাউকে পাওয়া যায়নি। (যাত্রীদের তালিকার লিঙ্ক- http://www.titanicfacts.net/titanic-passenger-list.html https://www.encyclopedia-titanica.org/titanic-passenger-list/)

ঐ দাবির প্রেক্ষিতে একটি ফটো দেওয়া হয় যা আনা মে ডিকিনসনের নামে চালানো হয়েছে। মূল স্থির চিত্রটি আসলে আমেরিকান লোক শিল্পী আনা মেরি রবার্টসন মোজেস’র।

এই ব্যাপারে ফেসবুকের কিছু পোস্ট

  • Read in English

Total
14
Shares

Leave a Reply

fact-watch