খাগড়াছড়িতে সেনাসদস্যকে নির্যাতনের দাবিতে পুরোনো ভিডিও প্রচার

129
খাগড়াছড়িতে সেনাসদস্যকে নির্যাতনের দাবিতে পুরোনো ভিডিও প্রচার
খাগড়াছড়িতে সেনাসদস্যকে নির্যাতনের দাবিতে পুরোনো ভিডিও প্রচার

খাগড়াছড়িতে চলমান অস্থিরতা ও সহিংসতার মধ্যে ফেসবুকে আহত এক সেনা সদস্যের ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, এই সেনাসদস্যকে ‘উপজাতিরা’  ধরে নিয়ে গিয়ে প্রায় দুই ঘন্টা টর্চার করে ছেড়ে দেয়। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, দাবিটি সঠিক নয়। এই সেনাসদস্যের আহত হওয়ার ঘটনাটি গত ২২ জুলাইয়ের, ঢাকার সচিবালয় এলাকায়।

ফেসবুকে এই দাবিতে প্রচারিত কিছু পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে

দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চে দৈনিক ইত্তেফাকের ইউটিউব চ্যানেলে এটি পাওয়া যায়। গত ২২ জুলাই ভিডিওটি (আর্কাইভ)  আপলোড করা হয়। এর সঙ্গে আলোচ্য দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটির হুবহু মিল রয়েছে। 

ক্যাপশন থেকে জানা যায়, এই সেনাসদস্য শিক্ষার্থীদের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

খাগড়াছড়িতে সেনাসদস্যকে নির্যাতনের দাবিতে পুরোনো ভিডিও প্রচার

দ্য ডেইলি মর্নিং ভয়েজ নামের একটি ফেসবুক পেজেও গত ২২ জুলাই এই ভিডিও পোস্ট করা হয়। 

প্রসঙ্গত, গত জুলাইয়ে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩১ জন নিহত এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে গভীর রাত তিনটার দিকে আজকের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করার ঘোষণা দেয় সরকার। এসব ঘটনার জেরে শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষাসচিবের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সচিবালয়ে বিক্ষোভ করলে এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। 

ফলে এটি নিশ্চিত হওয়া যায় যে, সেনাসদস্যকে সম্প্রতি ধরে নিয়ে গিয়ে টর্চারের দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটি পুরোনো এবং ভিন্ন ঘটনার। তাই ফ্যাক্টওয়াচ এমন দাবিতে প্রচারিত পোস্টগুলোকে মিথ্যা হিসেবে সাব্যস্ত করছে।

Claim:
খাগড়াছড়িতে চলমান অস্থিরতা ও সহিংসতার মধ্যে ফেসবুকে আহত এক সেনা সদস্যের ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, এই সেনাসদস্যকে ‘উপজাতিরা’ ধরে নিয়ে গিয়ে প্রায় দুই ঘন্টা টর্চার করে ছেড়ে দেয়।

Claimed By:
Facebook users

Rating:
False

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh