প্রধান উপদেষ্টার গাড়িবহরের ভিডিওকে সেনাপ্রধানের গ্রেফতার দাবিতে ভাইরাল  

87
প্রধান উপদেষ্টার গাড়িবহরের ভিডিওকে সেনাপ্রধানের গ্রেফতার দাবিতে ভাইরাল  
প্রধান উপদেষ্টার গাড়িবহরের ভিডিওকে সেনাপ্রধানের গ্রেফতার দাবিতে ভাইরাল  

প্রটোকলসহ একটি গাড়িবহরের ভিডিও শেয়ার দিয়ে দাবি করা হচ্ছে, সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানকে গ্রেফতার করে সেনা ক্যাম্পে অস্থায়ী কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠক শেষে ঐ গাড়িবহরসহ বেরিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। 

 এ ধরণের কয়েকটি পোস্ট দেখুন, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে। 

ফেসবুকে ছড়ানো পোস্টগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ১৫ অক্টোবর রাতে শেয়ার হওয়া শুরু হয়ে ১৬ অক্টোবর সকালেও  পোস্টগুলো শেয়ার হয়েছে “এই মুহূর্ত”-এর ঘটনা হিসেবে। গাড়িবহরের গাড়িগুলোর লাইট এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, এটি রাতের ঘটনা। 

অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত ভিডিওটির বিভিন্ন কি-ফ্রেমের সাহায্যে রিভার্স ইমেজ সার্চে কালের কণ্ঠের একটি ভিডিও প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ‘ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠক শেষে বের হলেন প্রধান উপদেষ্টা’ এই প্রতিবেদনটি আপলোড হয় ১৫ অক্টোবর রাতে। সেনাপ্রধানকে গ্রেফতারের দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি এই প্রতিবেদনের ভিডিওটির অংশ। 

পরবর্তী অনুসন্ধানে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চে বাসস (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা)’র একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে আলোচনায় বসেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ১৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ছয়টা পঁচিশ মিনিটে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।” ১৫ অক্টোবর রাত ৮টা ২৫ মিনিটে প্রতিবেদনটি আপলোড করা হয়েছে। 

যমুনা টিভির প্রতিবেদনেও ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকের কথা বলা হয়েছে। 

এছাড়া, সেনাপ্রধানের গ্রেফতারের কোনো খবর দেশের মূলধারার কোনো সংবাদমাধ্যমে পাওয়া যায়নি। 

কাজেই ভাইরাল ভিডিওটি সেনাপ্রধানের গ্রেফতারের নয়। সঙ্গত কারণে, এ ধরণের দাবিযুক্ত ফেসবুক পোস্টগুলোকে মিথ্যা হিসেবে সাব্যস্ত করছে ফ্যাক্টওয়াচ। 

Claim:
প্রটোকলসহ একটি গাড়িবহরের ভিডিও শেয়ার দিয়ে দাবি করা হচ্ছে, সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানকে গ্রেফতার করে সেনা ক্যাম্পে অস্থায়ী কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

Claimed By:
Facebook Users

Rating:
False

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh