দাবানলে বিপর্যস্ত  লস অ্যাঞ্জেলেসে আজান দেওয়ার দাবিতে ভাইরাল ভিডিওটি পাকিস্তানের 

220
দাবানলে বিপর্যস্ত  লস অ্যাঞ্জেলেসে আজান দেওয়ার দাবিতে ভাইরাল ভিডিওটি পাকিস্তানের 
দাবানলে বিপর্যস্ত  লস অ্যাঞ্জেলেসে আজান দেওয়ার দাবিতে ভাইরাল ভিডিওটি পাকিস্তানের 

গত কয়েকদিনে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেস। সম্প্রতি থ্রেডসে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, দেশটি এই দাবানল সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আর তাই সেখানকার মুসলমানরা আগুন নেভানোর জন্য আজান দিচ্ছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আজান দেওয়ার ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে লস অ্যাঞ্জেলেসে চলমান দাবানলের কোনো সম্পর্ক নেই। আজানের ভাইরাল ভিডিওটি ২০২২ সালে পাকিস্তানের করাচি থেকে ধারণ করা।

ভাইরাল ভিডিওটি থেকে কিছু কি-ফ্রেম নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চে রিয়েল ফ্যাক্টস (Real Facts) নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে একই ভিডিও পাওয়া যায়। ২০২২ সালের ২ জুন চ্যানেলটিতে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এর ক্যাপশনে লেখা, পাকিস্তানের জেল চৌরঙ্গী এলাকায় একটি সুপার স্টোরে আগুন লাগে। সেই আগুন নেভাতে একদল মানুষ আগুনের সামনে আজান দিচ্ছিল।

পরে ভিডিওটি সম্পর্কে আরও খোঁজ নিয়ে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ইউ নিউজ টিভিতে (unewstv) ২০২২ সালের ৩ জুন প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, পাকিস্তানের করাচিতে একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে আগুন লাগলে সেখানে থাকা মানুষেরা আগুন নেভাতে আজান দিচ্ছিল। 

এসব ফলাফলের ভিত্তিতে এটি নিশ্চিত যে, লস অ্যাঞ্জেলেসে চলমান দাবানল সামলাতে সেখানে আজান দেওয়ার ভিডিওটি পুরোনো এবং ভিন্ন জায়গার। তাই ফ্যাক্টওয়াচ দাবিটিকে মিথ্যা হিসেবে সাব্যস্ত করছে।

থ্রেডসে প্রচারিত কিছু পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে। 

ভিডিওটি লস অ্যাঞ্জেলেসের দাবি করে দেশীয় সংবাদমাধ্যম দৈনিক ইনকিলাব গতকাল সোমবার (১৩ জানুয়ারি) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাদের প্রতিবেদনটি দেখুন এখানে



Claim:
গত কয়েকদিনে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেস। সম্প্রতি থ্রেডসে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, দেশটি এই দাবানল সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আর তাই সেখানকার মুসলমানরা আগুন নেভানোর জন্য আজান দিচ্ছে।

Claimed By:
Threads Users

Rating:
False

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh