সংসদে লাল টি-শার্ট পরা নুসরাত তাবাসসুমের ছবি দুটি এডিটেড

121
সংসদে লাল টি-শার্ট পরা নুসরাত তাবাসসুমের ছবি দুটি এডিটেড
সংসদে লাল টি-শার্ট পরা নুসরাত তাবাসসুমের ছবি দুটি এডিটেড

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নুসরাত তাবাসসুমের দুটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে তাকে লাল টি শার্ট ও নীল জিনস পরিহিত অবস্থায় সংসদে বক্তব্য রাখতে দেখা যাচ্ছে। ক্যাপশনে বলা হচ্ছে, এ ধরনের ওয়েস্টার্ন ড্রেস সংসদের ড্রেসকোড কি না। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, লাল টি-শার্ট পরা ছবিটি প্রযুক্তির সহায়তায় এডিট করে বানানো হয়েছে।   

এ ধরনের পোস্টগুলোর কয়েকটি এখানে, এখানে, এখানে ও এখানে। 

ছবি দুটির সাহায্যে রিভার্স ইমেজ সার্চে প্রাসঙ্গিক ফলাফল পাওয়া যায় না। 

পরবর্তীতে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চে চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের একটি ভিডিও প্রতিবেদন পাওয়া যায়। এ বছরের ২২ জুন আপলোড করা এই প্রতিবেদনে নুসরাত তাবাসসুমকে সংসদে বক্তব্য রাখতে দেখা যাচ্ছে। এই ভিডিওটিতে জামদানি শাড়ি পরে বক্তব্য রাখছেন তিনি। এই ভিডিওটি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, তার কপালের টিপ, গলার মালা ও আইডি, কানের দুল, হাতের চুড়ি, চুল বাঁধার ধরন এবং সংসদের সবুজ চেয়ার; সবকিছুই একই আছে ফেসবুকে ছড়ানো ছবি দুটিতে। শুধু পরনের শাড়ির বদলে টি শার্ট ও জিনস। 

কাজেই সংসদে বক্তব্য দেওয়ার ভিডিও থেকে স্ক্রিনশট নিয়ে পোশাক অংশটি এডিট করা হয়েছে বলেই প্রতীয়মান হয়। 

 এছাড়া, নুসরাত নিজের ফেসবুক আইডিতে ছবি পোস্ট করে বলেছেন, “হাসিনার ছবি কভারে দেয়া, বায়োতে মুজিববাদ লেখা এক শিশু মহিলা আমার একটা ছবি পোস্ট করে লিখেছেন যে আমি “লাল টিশার্ট আর জিন্স” পরে সংসদে গিয়ে ড্রেসকোড ভঙ্গ করেছি!!!” এডিটের ছবিতে লাল ক্রস দিয়ে নিজের আসল ছবিটিও পোস্ট করেছেন তিনি।  

কাজেই আলোচ্য ছবিটি প্রযুক্তির সহায়তায় বানানো হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। সঙ্গত কারণে, এ ধরনের ছবিগুলোকে বিকৃত সাব্যস্ত করছে ফ্যাক্টওয়াচ। 

Claim:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নুসরাত তাবাসসুমের দুটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে তাকে লাল টি শার্ট ও নীল জিনস পরিহিত অবস্থায় সংসদে বক্তব্য রাখতে দেখা যাচ্ছে। ক্যাপশনে বলা হচ্ছে, এ ধরনের ওয়েস্টার্ন ড্রেস সংসদের ড্রেসকোড কি না।

Claimed By:
Facebook Users

Rating:
False

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে।

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh