নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নামে প্রথম আলোর আদলে ভুয়া তথ্য প্রচার    

58
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নামে প্রথম আলোর আদলে ভুয়া তথ্য প্রচার    
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নামে প্রথম আলোর আদলে ভুয়া তথ্য প্রচার    

সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নামে একটি খবর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। বলা হচ্ছে, তিনি এক নারীকে বিয়ের কথা বলে প্রেম করেছেন এবং পরবর্তীতে হত্যা করেছেন। প্রথম আলোর নাম ব্যবহার করে এই খবরটি ছড়ানো হচ্ছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে জানা যায়, ভাইরাল এই ফটোকার্ডটি এডিটেড। প্রথম আলো তাদের  ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করে জানিয়েছে, তাদের নামে ছড়ানো এই ছবি ও তথ্য ভুয়া।

ছড়িয়ে পড়া কিছু পোস্ট দেখা যাবে এখানে, এখানে, এখানে , এখানে, এবং এখানে। 

ভাইরাল ফটোকার্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বিভিন্ন কি-ওয়ার্ড ধরে অনুসন্ধান করা হয়। কিন্তু নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এই ধরনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

যেহেতু সূত্র হিসেবে প্রথম আলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাই পরবর্তীতে তাদের ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজে অনুসন্ধান করা হয়। কিন্তু এমন কোনো প্রতিবেদন কিংবা ফটোকার্ড সেখানে পাওয়া যায়নি। প্রথম আলোর ই-পেপার ঘেঁটেও এমন কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। এছাড়া ভাইরাল এই ছবিতে কোন তারিখ উল্লেখ নেই যা থেকে ধারণা পাওয়া যায় যে এটি বানানো হয়ে থাকতে পারে। সাধারণত প্রথম আলোর প্রিন্ট সংস্করণে তারিখের উল্লেখ থাকে। 

পুনরায় অনুসন্ধানে প্রথম আলোর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একটি পোস্ট  খুঁজে পাওয়া  যায়। সেখানে প্রথম আলো জানিয়েছে যে তাদের নামে ছড়ানো এই ছবি ও তথ্য ভুয়া। 

ভাইরাল ছবিতে উল্লেখিত রোকাইয়া আক্তার রিংকি ছিলেন একজন সেনাসদস্যের স্ত্রী। ২০২৩ সালের ১৩ আগস্ট তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিছুদিন আগে গত ২৩ আগস্ট ২০২৬ এ  এলাকাবাসী সেই ঘটনা নিয়ে মানববন্ধন করেন। কারণ তিন বছরেও মামলার রহস্য উদঘাটন হয়নি। বিস্তারিত পড়া যাবে এখানে। 

অর্থাৎ, প্রথম আলোর নামে প্রযুক্তির সহায়তায় এডিট করে  উক্ত তথ্য ও ছবি বসানো হয়েছে।  

তাই ফ্যাক্টওয়াচ বানানো এই ফটোকার্ডগুলোকে ‘বিকৃত’ হিসেবে চিহ্নিত করছে। 

Claim:
সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নামে একটি খবর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। বলা হচ্ছে, তিনি এক নারীকে বিয়ের কথা বলে প্রেম করেছেন এবং পরবর্তীতে হত্যা করেছেন। প্রথম আলোর নাম ব্যবহার করে এই খবরটি ছড়ানো হচ্ছে।

Claimed By:
Facebook users

Rating:
False

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে।

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh