মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্রদের নামে একাধিক ভুয়া বক্তব্য ভাইরাল


মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একাধিক মুখপাত্রের নাম এবং ভিডিও ব্যবহার করে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ভুয়া দাবি সামাজিক মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুসের বরাতে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র । আবার পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সাবেক মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের একটি বক্তব্যের ভিডিও দেখিয়ে কেউ কেউ দাবি করছেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী শেখ হাসিনার পদত্যাগ অবৈধ বিবেচিত হয়েছে এবং ড. ইউনূস সরকারকে অনতিবিলম্বে শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পুরোনো সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও থেকে এই ফুটেজ গুলো নেওয়া হয়েছে যেখানে তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে কথা বলছেন। তবে তাদের আসল বক্তব্যের সাথে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বক্তব্যের কোনো মিল নেই। ম্যাথিউ মিলার শেখ হাসিনার পদত্যাগকে অবৈধ বলেননি, কিংবা ট্যামি ব্রুস আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা দেননি। তাছাড়া, বেশ কয়েকমাসের এবং কয়েক বছরের পুরোনো এসব সংবাদ সম্মেলনকে ‘সাম্প্রতিক’ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। সার্বিক বিবেচনায় এ সকল পোস্টকে ফ্যাক্টওয়াচ ‘মিথ্যা’ সাব্যস্ত করছে।
গুজব ১
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বর্তমান মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এর নাম ও ভিডিওযুক্ত কয়েকটি পোস্ট দেখতে পাবেন এখানে,এখানে,এখানে,এখানে ।






এসব পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়েছে, ‘এই সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান উপমুখপাত্র ট্যামি ব্রুস নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী জাতীয় নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে, এবং সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সহ সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ থাকতে হবে।
যদি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এটা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে, এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর উপর নিষেধাজ্ঞা ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্য পদ বাতিল করা হবে।
পাশাপাশি বাংলাদেশের সাংবিধানিক নিয়মে নির্বাচিত আওয়ামী সরকারের প্রত্যাবর্তনের সবধরনের পদক্ষেপ নিবে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান ভলকার তুর্ক।’
আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট (পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় এর সমতুল্য) এর ওয়েবসাইটে সর্বশেষ ১২ আগস্ট ২০২৫ এর প্রেস ব্রিফিং (সংবাদ সম্মেলন) এর খবর, ভিডিও এবং ট্রান্সক্রিপ্ট আপলোড করা হয়েছে। এর পরে আর কোনো সংবাদ সম্মেলন হয়নি। অর্থাৎ , ফেসবুকে পোস্টগুলোতে ‘এই সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিং’ এর খবর দেওয়া হলেও, প্রকৃতপক্ষে এই সপ্তাহে এমন কোনো সংবাদ সম্মেলন ঘটেনি।
সাধারনত ৭ দিন পরপরই এই ধরনের সাধারন সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, তবে এর ব্যতিক্রমও রয়েছে। এসব সংবাদ সম্মেলনে প্রধানত পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র (spokesperson) কিংবা প্রধান উপ-মুখপাত্র (Principal Deputy Spokesperson) বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়। বর্তমানে এই দপ্তরে মুখপাত্র হিসেবে আছেন ট্যামি ব্রুস এবং প্রধান উপ-মুখপাত্র হিসেবে আছেন থমাস টমি পিগট। ২০২৫ এর জানুয়ারি মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকে তারা এই পদে রয়েছে। এর আগে , জো বাইডেন এর শাসনামলে এই দপ্তরের মুখপাত্র ছিলেন ম্যাথিউ মিলার এবং প্রধান-উপমুখপাত্র ছিলেন বেদান্ত প্যাটেল।
অর্থাৎ, ফেসবুকের পোস্টগুলোতে ট্যামি ব্রুসের পদের নাম ভুলভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে ‘প্রধান উপমুখপাত্র’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তিনি ‘মুখপাত্র’ হিসেবেই কাজ করছেন।
ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে ট্যামি ব্রুসের অংশগ্রহণ করা প্রেস ব্রিফিংগুলোর ভিডিওর সাথে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি তুলনা করে দেখা যায়, গত ২০ জুন ২০২৫ তারিখের সংবাদ সম্মেলনের সাথে ফেসবুকের ভিডিওটি মিল রয়েছে। উভয় ভিডিওতে ট্যামি ব্রুসকে একই পোশাকে (কালো শার্ট এবং কালো ব্লেজার) দেখা যাচ্ছে।
ইউটিউবে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের ভেরিফায়েড চ্যানেলে ২০ জুন ২০২৫ এর সংবাদ সম্মেলনের সম্পূর্ণ ভিডিওটি রয়েছে। ৩০ মিনিট ৩ সেকেন্ড দীর্ঘ এই ভিডিওর ২৭ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড থেকে ২৯ মিনিট ১৩ সেকেন্ড পর্যন্ত অংশে বাংলাদেশ সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর রয়েছে।
এই দীর্ঘ ভিডিও থেকে ৪২ সেকেন্ড (২৮.০৫ সেকেন্ড থেকে ২৮.৪৭ তম সেকেন্ড পর্যন্ত) কেটে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ক্লিপটি তৈরি করা হয়েছে।
৪২ সেকেন্ডের এই ক্লিপে ট্যামি ব্রুসকে বলতে শোনা যায়, “Obviously, when it comes to a – let’s say a White House reaction to what is occurring in another country, I would suggest you contact the White House. But for when it comes to Secretary of State and the State Department, let’s take that back and we’ll get an answer for you in that regard.
But what I can tell you about Bangladesh is that Deputy Secretary Landau met with Bangladesh National Security Advisor Rahman yesterday – I should say Wednesday – and discussed the interim government’s efforts ahead of the national elections. They discussed the U.S.-Bangladesh relationship, including expanding trade and commercial ties. The United States is committing – committed to working with Bangladesh to promote peace and stability in the region.
(আসলে, অন্য কোনো দেশে যা ঘটছে সে বিষয়ে হোয়াইট হাউসের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আমি বলব, আপনাকে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তবে আপনি যদি পররাষ্ট্র সচিব বা পররাষ্ট্র দপ্তরের অবস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন, তাহলে আমরা আপনার প্রশ্নটি গ্রহণ করব এবং আপনাকে এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে উত্তর জানাব।
কিন্তু এখন আমি যা বলতে পারি তা হলো—বাংলাদেশকে নিয়ে গতকাল (আসলে বুধবার) মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যান্ডাউ বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (খলিলুর) রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সেখানে জাতীয় নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যার মধ্যে বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে নিয়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। )”
পুরো ভিডিও এবং ট্রান্সক্রিপ্ট দেখে বোঝা যাচ্ছে, এখানে জনৈক সাংবাদিক জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান ভল্কার তুর্ক এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এর রেফারেন্স দিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র কি বাংলাদেশ সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডকে গণতান্ত্রিক নীতির লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে এবং এসব কর্মকাণ্ডের নিন্দা করছে ?
উত্তর দেখে বোঝা যাচ্ছে, এখানে মূলত ট্যামি ব্রুস প্রশ্নটি এড়িয়ে গিয়েছে। সাংবাদিকের প্রশ্নের ( আমেরিকা কি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কমর্কান্ডের নিন্দা জানাচ্ছে) সরাসরি হ্যা/না উত্তর দেয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরে জানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
অর্থাৎ, ট্যামি ব্রুস এর বক্তব্য সম্পূর্ণ ভুলভাবে উদ্ধৃত করে দাবি করা হচ্ছে যে তিনি বলেছেন ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে’ ; যা তিনি আদতে বলেননি।
সঙ্গত কারনে ভুল দাবিযুক্ত এ সকল পোস্টকে ফ্যাক্টওয়াচ ‘মিথ্যা’ সাব্যস্ত করছে।
গুজব ২
আমেরিকা পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক মুখপাত্র ম্যাথু মিলারের ভিডিও সম্বলিত আরেকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিওর ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, ‘খেলার মোড় ঘুরে গেছে…
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী শেখ হাসিনার পদত্যাগ অবৈধ বিবেচিত হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আসার পর দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতে খুবই দক্ষতার সঙ্গে দেশ পরিচালিত হয়েছে।
ড. ইউনূস সরকারকে অনতিবিলম্বে শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে নোটিশ পাঠানো হয়েছে,এই আদেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, বাতিল হবে নোবেল পুরষ্কার।’
এমন কয়েকটা পোস্ট দেখতে পাবেন এখানে,এখানে,এখানে,এখানে,এখানে,এখানে।






এই ভিডিওতে ম্যাথিউ মিলারকে বলতে শোনা যায়, ‘Turning to Bangladesh, we have seen the announcement that Prime Minister Hasina resigned from her position and departed Bangladesh. We are monitoring the situation carefully. The United States stands with the people of Bangladesh. We urge all parties to refrain from further violence. Too many lives have been lost over the course of the past several weeks, and we urge calm and restraint in the days ahead. We welcome the announcement of an interim government and urge any transition be conducted in accordance with Bangladesh’s laws.
Finally, we are deeply saddened about the reports of human rights abuses, casualties, and injuries over the weekend and past weeks. We share our deepest condolences with those who lost loved ones and those who are suffering’.
( বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমরা দেখেছি যে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন বলে ঘোষণা এসেছে। আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে। আমরা সকল পক্ষকে অধিকতর সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই। গত কয়েক সপ্তাহে অনেক মানুষের জীবনহানি ঘটেছে। আমরা আগামী দিনে শান্ত ও সংযত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণাকে স্বাগত জানাই এবং এই রূপান্তর যাতে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।সবশেষে, গত সপ্তাহের শেষ দিনগুলোতে এবং গত কয়েক সপ্তাহে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন, হতাহতের ঘটনা ও আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তা আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। যাদের প্রিয়জন হারিয়েছে এবং যারা ভোগান্তিতে আছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।)
কি-ওয়ার্ড সার্চের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ম্যাথিউ মিলার তার সংবাদ সম্মেলনের সূচনা বক্তব্যে বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে এই মন্তব্য করেছিলেন। সেদিনের প্রেস ব্রিফিং এর ট্রান্সক্রিপ্ট দেখা যাবে এখানে। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনের সম্পূর্ণ ভিডিও রয়েছে ইউটিউবে।
দেখা যাচ্ছে, এই বক্তব্য প্রদান করা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ১৩ মাস পূর্বে, ৫ আগস্ট তারিখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা পরেই। এটা কোনোভাবেই সাম্প্রতিক কোনো বক্তব্য নয়। তদুপরি, বর্তমান সময়ে ম্যাথু মিলার আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কোনো দায়িত্বশীল পদে নেই।
এই বক্তব্য দেওয়ার সময়ে বাংলাদেশের নতুন প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্বভার গ্রহণ করেননি। তাই এখানে ড. ইউনূসের নাম ও কোথাও উল্লেখ করা হয়নি।
অর্থাৎ, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে যেমনটি দাবি করা হচ্ছে ( ম্যাথিউ মিলার শেখ হাসিনার পদত্যাগকে অবৈধ বলেছেন বা নোবেল বাতিলের হুমকি দিয়েছেন) তেমন কোনো কথাই তিনি সেদিন সংবাদ সম্মেলনে বলেননি।
ম্যাথিউ মিলারের সেদিনের সংবাদ সম্মেলন এবং বাংলাদেশ নিয়ে তার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। (যেমন দেখুন এখানে) এসব প্রতিবেদনেও উল্লেখিত তথ্যগুলো পাওয়া গেল না।
সঙ্গত কারনে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ সকল পোস্টকে ফ্যাক্টওয়াচ ‘মিথ্যা’ সাব্যস্ত করছে।
Claim: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একাধিক মুখপাত্রের নাম এবং ভিডিও ব্যবহার করে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ভুয়া দাবি সামাজিক মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুসের বরাতে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র । আবার পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সাবেক মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের একটি বক্তব্যের ভিডিও দেখিয়ে কেউ কেউ দাবি করছেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী শেখ হাসিনার পদত্যাগ অবৈধ বিবেচিত হয়েছে এবং ড. ইউনূস সরকারকে অনতিবিলম্বে শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
Claimed By: Facebook Users
Rating: False


এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে।
এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh




