ভুল ঠিকানা ও ছবি ব্যবহার করে তহবিল সংগ্রহের নামে প্রতারণা


সম্প্রতি ফেসবুকে ভিন্ন ভিন্ন পেজ এবং প্রোফাইল থেকে চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের নামে বেশ কিছু পোস্ট ছড়িয়ে পড়ছে। এই সকল পোস্টে বিভিন্ন রোগীদের ছবি ব্যবহার করে দাবি করা হচ্ছে তারা বাংলাদেশী। কিন্তু ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে যে, তারা সবাই ভারতীয়। চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তা সম্পর্কিত পোস্টগুলো ভুয়া। ‘Impact Guru’ এবং ‘Ketto’ নামের ভারতীয় তহবিল সংগ্রহকারী ওয়েবসাইট থেকে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়। ভারতীয় এসব ওয়েবসাইট থেকে ছবি নিয়ে তাদেরকে বাংলাদেশী বলে তহবিল সংগ্রহ করা হচ্ছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এমন কিছু পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এবং এখানে।
ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানঃ
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে তহবিল সংগ্রহের নামে যেই রোগীদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে সবগুলো ছবি রিভার্স ইমেজ সার্চ করে এগুলোর উৎস খুঁজে পায় ফ্যাক্টওয়াচ টিম। ‘Impact Guru’ এবং ‘Ketto’ নামের ভারতীয় তহবিল সংগ্রহকারী ওয়েবসাইটে ছবিগুলো পাওয়া যায়। সেখান থেকে জানা যায় পোস্টগুলোতে যাদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে তারা সবাই ভারতীয়। এই ওয়েবসাইটগুলোতে যেই রোগীর জন্য তহবিল সংগ্রহ করা হয় তার ব্যাপারে নিয়মিত আপডেট দেওয়া হয়।
পোস্ট ১ :
‘একজন দিনমজুর বাবার মেয়ে লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত, বর্তমানে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রায় ৬/৭ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।’ এই দাবিতে একটি শিশুর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।
কিন্তু, ‘Impact Guru’ এর ওয়েবসাইটে চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের একটি আবেদনে শিশুটির ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। সেখান থেকে জানা যায়, বাস্তবে শিশুটির নাম ধীমাহি (Dhimahi), যার বাবা একজন অটোরিকশা চালক। জন্ম থেকেই তার লিভারে সমস্যা ছিল। শিশুটিকে মুম্বাইয়ের পারেলে অবস্থিত গ্লেনিগলস হাসপাতালের ভর্তি করা হলে সেখানকার ডাক্তাররা লিভার প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দেয়। ‘Impact Guru’ তে ধীমাহি সম্পর্কে ২৭ জুন সর্বশেষ আপডেট পাওয়া যায়। ধীমাহি বর্তমানে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চলতি বছরের ২০ জুলাই তার লিভার প্রতিস্থাপনের সম্ভাব্য তারিখ ধার্য করা হয়েছে।


পোস্ট ২ :
এই পোস্টেও একটি অসুস্থ শিশুর ছবি ব্যবহার করে দাবি করা হচ্ছে ‘একজন দিনমজুর বাবার মেয়ে লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত, বর্তমানে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন। শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রায় ৬/৭ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।’
এই শিশুটির ছবিও Impact Guru এর ওয়েবসাইটে খুঁজে পাওয়া যায়। সেখানে উল্লেখ করা হয় শিশুটির নাম মান্বিত (Manvit)। সে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে ভারতের গুরগ্রামে অবস্থিত নারায়ণ হাসপাতাল ভর্তি আছে। চলতি বছরের ২০ মে থেকে মান্বিতকে পিআইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তার একবার কেমোথেরাপি করা হয়েছে যা তার শরীরের উপর খারাপ প্রভাব ফেলেছে। তার লিভারে সংক্রমণ হয়েছে।


লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দিনমজুর বাবার মেয়ে শিশু বর্তমানে কুড়িগ্রামের সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে দাবিতে ভিন্ন আরেকটি শিশুর ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে শেয়ার করা হচ্ছে।
Impact Guru এর ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বাস্তবে শিশুটি মেয়ে নয় বরং ছেলে শিশু। তার নাম সৃজন ঘোষ(Srijan Ghosh)। তার বাবার নাম প্রসেনজিৎ ঘোষ (Prasenjit Ghosh), যিনি পেষায় একজন কৃষক। নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে এক বছর বয়সী শিশুটি চলতি বছরের ৩ মার্চ কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথ এ ভর্তি হয়েছিল। এরপরে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় এখন তাকে বাড়িতেই চিকিৎসা এবং অক্সিজেন সাপোর্টে দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকায়, ডাক্তাররা বাড়িতে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করার জন্য নিমিত ফলোআপের জন্য হাসপাতালে যেতে হয়।


পোস্ট ৪ :
এই পোস্টে একজন পুরুষ রোগীর ছবি শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, ‘টাকার অভাবে পুরা চিকিৎসা করাতে পারছেন না হাসপাতালেই পড়ে আছেন। একবার কিডনি অপারেশন করা হয়েছে আবার অপারেশন প্রয়োজন। এরজন্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকার প্রয়োজন।’
বাস্তবে এই রোগীর নাম অঙ্কুর সাক্সেনা (Ankur Saxena)। তার প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়) মারাত্মকভাবে প্রদাহিত হয়েছিল এবং এর কিছু অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। চিকিৎসকরা একে অ্যাকিউট নেক্রোটাইজিং প্যানক্রিয়াটাইটিস (acute necrotizing pancreatitis) বলে থাকেন। Impact Guru এর ওয়েবসাইট থেকে এই তথ্য পাওয়া যায়। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ভারতের উত্তর প্রদেশের নয়ডা তে অবস্থিত ফোর্টিস হাসপাতালে ভর্তি হন। এই ওয়েবসাইট থেকে চলতি বছরের ১ এপ্রিল তার সম্পর্কে সর্বশেষ আপডেট পাওয়া যায়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে এবং হাসপাতালের ওয়ার্ডে চিকিৎসা চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।


পোস্ট ৫ :
‘হাওয়া খাতুন’ নামের ফুসফুসের জটিলতায় আক্রান্ত দুই বছরের একটি কন্যা শিশুর জন্য আর্থিক সহায়তা সাহায্য চেয়ে করা একটি পোস্ট ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে আরও দাবি করা হচ্ছে শিশুটির বাবার নাম মো বাদল মিয়া, সে একজন দিনমজুর। শিশুটি বর্তমানে লালমনিরহাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া প্রয়োজন।
Ketto এর অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ২০২২ সালের ৪ আগস্ট আপলোড করা একটি পোস্টে ভাইরাল এই ছিশুটির ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। সেখানে উল্লেখ করা হয় শিশুটির নাম আমিনা যে মেরুদণ্ডের মাস্কুলার এট্রোফিতে (spinal muscular atrophy) আক্রান্ত। এই পোস্টে শিশুটির জন্য তহবিল সংগ্রহের একটি লিংকটি দেওয়া আছে। সেখানে প্রবেশ করে দেখা যায় এই শিশুটির জন্য এখন আর তহবিল গ্রহণ করা হচ্ছে না।


পোস্ট ৬ :
‘বাবা একজন দিনমজুর যার কন্যা শিশু ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে রানিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি আছ। শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রায় ৬/৭ লক্ষ টাকা প্রয়োজন’- এমন দাবিতে একটি অসুস্থ শিশুর ছবি ছড়িয়ে পড়ছে।
কিন্তু বাস্তবে শিশুটি ভারতের চেন্নাইএর বাসিন্দা গঙ্গাদরন আলাগুভেল (Gangadaran Alaguvel) এবং সরস্বতীর (Saraswathi) ছেলে সন্তান। মাত্র ছয় মাস মায়ের গর্ভে থাকার পড়ে ছেলেটি জন্ম নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেওয়া একটি শিশুর যে পরিমাণে পরিপক্বতা থাকা দরকার এই শিশুটির ক্ষেত্রে তা ছিলনা। তাই তাকে চেন্নাইতে অবস্থিত রেইনবো চিলড্রেন’স হসপিটাল অ্যান্ড বার্থরাইট (Rainbow Children’s Hospital And Birthright) এর নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে যা খুবই ব্যয়বহুল। এই সকল তথ্য Impact Guru এর ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যায়।


পোস্ট ৭ :
একটি অসুস্থ শিশুর কিছু ছবি শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, ‘একজন দিনমজুর বাবার মেয়ে হাড়ে সমস্যার কারণে বর্তমানে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। শিশুটির চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা প্রয়োজন।’
Impact Guru থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী মেয়েটির নাম ইয়াশিকা (Yashika)। ২ বছর বয়সেই ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সে চেন্নাইতে অবস্থিত কাঞ্চি কামাকোটি চাইল্ডস ট্রাস্ট হাসপাতালে (Kanchi Kamakoti Childs Trust Hospital) ভর্তি। তার বাবার নাম প্রতাপ এল (Prathap L)। ডাক্তারদের মতে ইয়াশিকার ক্যান্সার নিরাময়যোগ্য। কিন্তু তার চিকিৎসার জন্য কমপক্ষে ছয় মাস নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন হবে, তারপরে তিন বছর থেরাপির প্রয়োজন হবে। এতে ২০ লক্ষ টাকারও বেশি খরচ হবে। ইয়াশিকার পরিবার সাহায্যের মাধ্যমে কয়েক লক্ষ টাকা জোগাড় করতে পেরেছে।


পোস্ট ৮ :
কিশোরগঞ্জের একজন নারী ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত দাবিতে একটি ছবি শেয়ার করা হচ্ছে। সেখানে আরও দাবি করা হাচ্ছে টাকার অভাবে তার চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না।
বাস্তবে এই নারীর নাম সাক্ষী বিশাল শিন্ডে (Sakshi Vishal Shinde), বয়স ৩৭ বছর। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তার অ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া (Acute Myeloid Leukemia) ধরা পড়ে এবং পুনের সাসুন রোডে অবস্থিত রুবি হল ক্লিনিকে তিনি ভর্তি হন। এরপর থেকে তাকে একাধিক রক্ত সঞ্চালন এবং তিন রাউন্ড কেমোথেরাপির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। রুবি হল ক্লিনিকের ডাক্তাররা বলেছেন বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট (BMT) তার বেঁচে থাকার একমাত্র আশা। তার আপন বোন এই বোন ম্যারো দান করতে প্রস্তুত। কিন্তু এই ট্রান্সপ্ল্যান্টের খরচ তাদের সামর্থ্যের চেয়ে অনেক বেশি। Impact Guru এর ওয়েবসাইট থেকে এ ব্যাপারে জানা যায়।


পোস্ট ৯ :
এই পোস্টে এক নারীর ছবি ব্যবহার করে দাবি করা হচ্ছে তার গলায় টিউমার হয়েছে। টাকার অভাবে চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। তার ঠিকানা হিসেবে জামালপুরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
Impact Guru থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এই নারীর নাম রূপালী শ্রীপাদ দারওয়াতকর (Rupali Shripad Darwatkar) এবং তার স্বামীর নাম শ্রীপাদ দারভাটক (Shripad Darvatkar)। তারা মহারাষ্ট্রের পুনের বাসিন্দা। ২৯শে মে ২০২৫ তারিখে, রুপালির মস্তিষ্কে তীব্র রক্তক্ষরণ হয়। তাকে দ্রুত পুনের সাসুন রোডে অবস্থিত রুবি হল ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তখন থেকেই তাকে ভর্তি করা হয়। রুপালীকে ইতিমধ্যেই একটি ডিকম্প্রেসিভ ক্র্যানিয়েক্টমি (decompressive craniectomy) করা হয়েছে , যা মস্তিষ্কের চাপ কমানোর জন্য একটি অস্ত্রোপচার। তিনি একটি ডিএসএ তথা ডিজিটাল সাবট্রাকশন অ্যাঞ্জিওগ্রাফি (Digital Subtraction Angiography) ও করেছেন , যা রক্তনালীগুলির জন্য একটি ইমেজিং পরীক্ষা। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে আছেন।


এখানে একটি মেয়ে শিশুর ছবি শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে শিশুটির হাড়ে জটিল স্যামসা হয়েছে। বর্তমানে রাজশাহী সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে।শিশুটির চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন যা তার দিনমজুর বাবার পক্ষে এই খরচ বহন করা সম্ভব নয় ।
বাস্তবে শিশুটি ভারতীয়, যার নাম ইকরা খাতুন (Iqra Khatoon)। জন্মের ছয় দিন পরে তার জন্ডিস ধরা পড়লে তাকে তার গ্রামের ডাক্তার দেখানো হয়। কিন্তু অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। এরপরে তাকে মুম্বাইয়ের পারেলে অবস্থিত গ্লেনিগলস হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানকার ডাক্তাররা জানান তার লিভার পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে, যা আর নিরাময়যোগ্য নয়। বেঁচে থাকার জন্য তার লিভার প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। ইকরার বাবা দর্জির কাজ করেন। তার এই স্বল্প আয় দিয়ে লিভার প্রতিস্থাপনের খরচ বহন করা সম্ভব নয়। তাই Impact Guru তে ইকরার চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন করা হয়।


উল্লেখ্য, ফেসবুক পোস্টেগুলোতে ব্যবহৃত বিকাশ এবং নগদ অ্যাকাউন্টের নাম্বারে ফ্যাক্টওয়াচ যোগাযোগ করলেও কোনো সাড়া মেলেনি।উল্লেখ্য, ফেসবুক পোস্টেগুলোতে ব্যবহৃত বিকাশ এবং নগদ অ্যাকাউন্টের নাম্বারে ফ্যাক্টওয়াচ যোগাযোগ করলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
অর্থাৎ, ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের জাতীয়তা বদলে আর্থিক সাহায্যের আবেদন করা হচ্ছে। সঙ্গত কারণে, ভিত্তিহীন এই পোস্টগুলোকে ফ্যাক্টওয়াচ “মিথ্যা” হিসেবে সাব্যস্ত করছে।
ইতিপূর্বে ফ্যাক্টওয়াচ থেকে এমন কিছু আর্থিক সাহায্যের নামে প্রতারণামূলক ফেসবুক পোস্ট নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। প্রতিবেদনগুলো দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে এবং এখানে।
Claim: সম্প্রতি ফেসবুকে ভিন্ন ভিন্ন পেজ এবং প্রোফাইল থেকে চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের নামে বেশ কিছু পোস্ট ছড়িয়ে পড়ছে। এই সকল পোস্টে বিভিন্ন রোগীদের ছবি ব্যবহার করে দাবি করা হচ্ছে তারা বাংলাদেশী।
Claimed By: Facebook users
Rating: False


এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে।
এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh




