কণ্ঠশিল্পী হায়দার হোসেনের মৃত্যুর গুজব 

22
কণ্ঠশিল্পী হায়দার হোসেনের মৃত্যুর গুজব 
কণ্ঠশিল্পী হায়দার হোসেনের মৃত্যুর গুজব 

সম্প্রতি ফেসবুকে বেশ কিছু পোস্টে বলা হচ্ছে, কণ্ঠশিল্পী হায়দার হোসেন মারা গেছেন। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে শিল্পীর নিজের এবং তার পরিবারের বরাতে জানা যায়, এই খবরটি ভুয়া। মূলধারার সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পরেও ফেসবুকে শিল্পীর মৃত্যুর গুজব ছড়াচ্ছে। 

এ ধরনের পোস্টগুলোর কয়েকটি এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে। 

গত ৭ মার্চে হঠাৎ করে ফেসবুকে হায়দার হোসেনের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। ওইদিনই মূলধারার সংবাদমাধ্যম শিল্পীর সঙ্গে কথা বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রথম আলো‘র প্রতিবেদন থেকে শিল্পীর নিজের বয়ানে জানা যায়, “সন্ধ্যা থেকে ফোন রাখতে পারছি না। অনেকেই ফোন দিচ্ছেন। কী যে ঝামেলায় পড়েছি! আমি সুস্থ আছি, ভালো আছি।এ ধরনের কাজ উচিত নয়। মৃত্যু নিয়ে এমন ভুয়া খবর প্রচার কাম্য নয়।” তিনি প্রথম আলোকে এই বক্তব্য দিয়েছেন ৭ মার্চ। 

৮ মার্চ দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদন‘র শিরোনাম- “মৃত্যুর খবরে বিরক্ত হায়দার হোসেন”। এই প্রতিবেদন থেকে শিল্পীর ভাষ্যে জানা যায়, এ ধরনের গুজব ছড়ানোকে অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, মৃত্যু নিয়ে ভুয়া খবর ছড়ানো একেবারেই কাম্য নয়। গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর ভক্ত-শ্রোতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই ফোন ও বার্তার মাধ্যমে তার খোঁজ নিতে থাকেন।

হায়দার হোসেনের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে গত ৭  মার্চ নিজের সুস্থতার খবর জানিয়ে পোস্ট করেন তিনি। পোস্টে তিনি লেখেন, By the Grace of Almighty I am alive and doing well. Thank you for keeping me in your prayers.

এছাড়া হায়দার হোসেনের মেয়ে জারিন তুবা ৮ মার্চ এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ আব্বা সুস্থ এবং ভালো আছেন। তার সম্পর্কে যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা। এই হাস্যজ্বল মানুষটির নেক হায়াতের জন্য দোয়া রাখবেন সবাই।” 

কাজেই এ বছরের ৭ এবং ৮ মার্চ ফেসবুকে ছড়ানো হায়দার হোসেনের মৃত্যুর খবরটি গুজব। এ ধরনের ফেসবুক পোস্টগুলোকে মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করছে ফ্যাক্টওয়াচ।   

Claim:
সম্প্রতি ফেসবুকে বেশ কিছু পোস্টে বলা হচ্ছে, কণ্ঠশিল্পী হায়দার হোসেন মারা গেছেন।

Claimed By:
Facebook Users

Rating:
False

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh