যশোরের উচ্ছেদ অভিযানের ভিডিও ভারতের সাম্প্রদায়িক ঘটনা হিসেবে প্রচার 

23
যশোরের উচ্ছেদ অভিযানের ভিডিও ভারতের সাম্প্রদায়িক ঘটনা হিসেবে প্রচার 
যশোরের উচ্ছেদ অভিযানের ভিডিও ভারতের সাম্প্রদায়িক ঘটনা হিসেবে প্রচার 

বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভেঙে ফেলার একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুকে শেয়ার করা হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, এটি ভারতে মুসলমানদের বাড়িঘর ভেঙে ফেলার ভিডিও। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, এটি ভারতের নয়, বাংলাদেশের যশোরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ভিডিও। 

   

এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে। 

ভিডিওটির কয়েকটি কি-ফ্রেমের সাহায্যে রিভার্স ইমেজ সার্চে ডিবিসি নিউজের একটি ফেসবুক পোস্ট পাওয়া যায়। এ বছরের ১০ মে আপলোড করা, বাড়িঘর ভাঙার একটি ভিডিওসহ এই প্রতিবেদনের শিরোনাম- “যশোরে ২৬ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, কান্নায় ভেঙে পড়লেন বাড়ির মালিকরা।”  এই প্রতিবেদনের ভিডিওর সঙ্গে আলোচ্য ভিডিওটির মিল রয়েছে। 

পরবর্তীতে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চে ১০ মে প্রকাশিত সমকালের একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়।  প্রতিবেদনের শিরোনাম- “যশোরে ভাঙা হলো আ. লীগ কার্যালয়সহ শতাধিক স্থাপনা।” এই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১০ মে রোববার সকালে শহরের বাবলাতলা এলাকায় প্রথমে অভিযান শুরু হয়। সেখানে সরকারি জমির ওপর নির্মিত একটি বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়। পরে উচ্ছেদকারী দল গাবতলা মোড়ে গিয়ে রাস্তার পাশের একাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। এরপর বি-ব্লক বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাস্তার পাশে নির্মিত আওয়ামী লীগের একটি আঞ্চলিক কার্যালয় গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

যশোরে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে আরও কয়েকটি খবর দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।  

কাজেই আলোচিত ভিডিওটি ভারতের নয়। ফলে সঙ্গত কারণে, এ ধরনের ফেসবুক পোস্টগুলোকে মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করছে ফ্যাক্টওয়াচ। 

Claim:
বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভেঙে ফেলার একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুকে শেয়ার করা হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, এটি ভারতে মুসলমানদের বাড়িঘর ভেঙে ফেলার ভিডিও।

Claimed By:
Facebook Users

Rating:
False

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh