ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পুলিশের আটকের একটি ছবি শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তির নাম ঈমাম উদ্দিন। তিনি পেশায় ঈমাম ছিলেন না। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, দাবিটি মিথ্যা। আটক ব্যক্তি পেশায় আসলে ইমামই ছিলেন। তার নাম সাইফুল ইসলাম খোকা, তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালে স্থানীয় বালুর বাজার পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমামতি করতেন।
ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চে দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। গত ৩ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, আটক ব্যক্তি সাইফুল ইসলাম খোকা স্থানীয় বালুর বাজার পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমাম। তার বাড়ি মোক্ষপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাপখালী গ্রামে।
প্রতিবেদনটিতে মোক্ষপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, আটক ওই ব্যক্তি মোক্ষপুর বালুর বাজার পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমাম ছিলেন। তার নাম সাইফুল ইসলাম খোকা। তিনি স্থানীয়ভাবে মসজিদেই বসবাস করেন। শিশুটির বাড়িও মসজিদের পাশেই। দুপুর ১২টার দিকে তিনি শিশুটিকে ডেকে মসজিদে নিয়ে যান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে মসজিদের ফাঁক দিয়ে উঁকি দিয়ে শিশুটিকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পাই। এরপর বাজারের লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত ইমামকে আটক করে। পরে তাকে জুতার মালা পরিয়ে মারধর করা হয়।
প্রতিবেদনটিতে ত্রিশাল থানার উপ-পরিদর্শক বাবুলেরও বক্তব্য রয়েছে। তার বক্তব্য থেকেও জানা যায়, আটক ব্যক্তি স্থানীয় পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমাম সাইফুল ইসলাম খোকা।
এসব তথ্যের ভিত্তিতে ফ্যাক্টওয়াচ দাবিটিকে মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করছে।
Claim: উনার নাম ইমাম উদ্দিন। কিন্তু হলুদ মিডিয়া নিউজ করেছে ধর্ষনের দায়ে গ্রেফতার ইমাম। কিন্তু এই লোক তো কোনো মসজিদের ইমাম নয়।
Claimed By: Facebook Users
Rating: False
এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের
নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে।
এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।
কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh