শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। এই আন্দোলনের দাবি করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশের ইউনিফর্ম পরিহিত এক ব্যক্তি বিপরীত দিকে থাকা মানুষদের ওপর গুলি ছুড়ছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি ভারতের নয়, পাকিস্তানের।
ভিডিওটি রিভার্স ইমেজ সার্চে সামার আব্বাস জার্নালিস্ট নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে এটির একটি দীর্ঘ সংস্করণ পাওয়া যায়। এটি গত ৩ মার্চ আপলোড করা হয়। ভিডিওটির শিরোনাম থেকে জানা যায়, করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে হামলার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এসএসপি কিয়ামাড়ি আমজাদ শেখ এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের অপসারণ করা হয়।
দীর্ঘ ভিডিওটি আরও পর্যবেক্ষণ করে সেখানে একটি সাইনবোর্ডে ইংরেজিতে “Karachi Port” এবং “Lalazar” লেখা দেখা যায়।
পরবর্তীতে এ–সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড ব্যবহার করে এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমেরপ্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনগুলোতে করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহিংস সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মেপা নিউজ নামে একটি নিউজ ওয়েবসাইটের ২ মার্চের প্রতিবেদনেও অস্ত্রধারী একই ব্যক্তির ছবি পাওয়া যায়। যেখান থেকে জানা যায়, এটি পাকিস্তানে আমেরিকাবিরোধী বিক্ষোভে সহিংসতার ঘটনা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
অর্থাৎ ভিডিওটি পাকিস্তানের, এটির সঙ্গে ভারতের চলমান ককরোচ আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই ফ্যাক্টওয়াচ দাবিটিকে মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করছে।
Claim: শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। এই আন্দোলনের দাবি করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশের ইউনিফর্ম পরিহিত এক ব্যক্তি বিপরীত দিকে থাকা মানুষদের ওপর গুলি ছুড়ছে।
Claimed By: Facebook Users
Rating: False
এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের
নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে।
এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।
কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh