আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে পুলিশের আগুন দেওয়ার দাবিতে পুরোনো ভিডিও ভাইরাল

128
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে পুলিশের আগুন দেওয়ার দাবিতে পুরোনো ভিডিও ভাইরাল
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে পুলিশের আগুন দেওয়ার দাবিতে পুরোনো ভিডিও ভাইরাল

সম্প্রতি ফেসবুকে প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, পুলিশের একটি দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভাইরাল ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়, এটি ২০১৬ সালের ঘটনা। ভিডিওটিতে পুলিশ সদস্যরা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে একটি সাঁওতাল পল্লীতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ভিডিওটি নিয়ে অনুসন্ধানে রিভার্স ইমেজ সার্চে সময় টিভির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিওটি পাওয়া যায়। ২০১৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর পেজটিতে এটি পোস্ট করা হয়।

এর ক্যাপশন অনুযায়ী, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রংপুর সুগার মিলের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামার এলাকায় সাঁওতালদের বসতিতে পুলিশ সদস্যরাই প্রথমে আগুন ধরিয়ে দেয়। সময় সংবাদের সংগ্রহ করা স্থানীয়ভাবে ধারণকৃত ভিডিও চিত্রেও একই দৃশ্য দেখা যায়।

এই তথ্যের সূত্রে পরবর্তী অনুসন্ধানে বাংলা ট্রিবিউনের ওয়েবসাইটে ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বরে ঘটনাটি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটিতে একই ভিডিওর স্থিরচিত্র রয়েছে।

এই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গাইবান্ধায় সাঁওতাল পল্লীতে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সময় পুলিশ সদস্যরা সেখানে আগুন ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ করেছিলেন ওই পল্লীর বাসিন্দারা।

ঘটনাটি নিয়ে ওই সময় দেশের অনেক সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। এমন একটি প্রতিবেদন দেখুন এখানে

এসব প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এটি নিশ্চিত যে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে পুলিশের আগুন ধরিয়ে দেওয়ার দাবিতে ভাইরাল ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার। তাই ফ্যাক্টওয়াচ এমন ক্যাপশনসহ  ভিডিওগুলোকে মিথ্যা হিসেবে সাব্যস্ত করছে।

ফেসবুকে প্রচারিত কিছু পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে

Claim:
সম্প্রতি ফেসবুকে প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, পুলিশের একটি দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে।

Claimed By:
Facebook Users

Rating:
False

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh