নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমাকে ঘিরে অনলাইনে অপপ্রচার

46
নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমাকে ঘিরে অনলাইনে অপপ্রচার
নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমাকে ঘিরে অনলাইনে অপপ্রচার

সচেতন নাগরিক সমাজের (Conscious Civic Society) উদ্যোগে সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলন হয়। সেখানে সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের একটি বক্তব্যকে সাংঘর্ষিক দাবি করে দলটির নিবন্ধন বাতিল সহ কয়েকটি দাবি জানানো হয়। এই সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে অভিনেত্রী নীলা ইস্রাফিল এবং সদস্য সচিব হিসেবে নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনির নাম জানানো হয়। গত ২০ ফেব্রুয়ারি গুলশান পুলিশ প্লাজাতে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সচেতন নাগরিক সমাজের বিবৃতি বা চিঠিটা ফাতিমা তনিই পাঠ করেছিলেন। এই সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে ফাতিমা তনিকে ঘিরে অনলাইনে ব্যক্তিগত আক্রমণ দেখা যাচ্ছে। তাদেরকে ঘিরে কয়েকটি গুজবও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। এমন কয়েকটি অপতথ্য নিয়ে ফ্যাক্টওয়াচের এই ফ্যাক্টফাইল।


(সতর্কতা : এই নিবন্ধে কিছু স্পর্শকাতর শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। সংবেদনশীল পাঠকের সতর্কতা কাম্য)




এআই ভিডিও


‘পতিতালয় থেকে এক মাসের ছুটিতে আসলো Fatima Tony’- এমন শিরোনামে ২০ সেকেন্ডের একটি  ভিডিও ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে। এমন কিছু পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে

এই ভিডিওতে কয়েকজন সাংবাদিককে বুম হাতে তনিকে কিছু প্রশ্ন করতে দেখা যায়। তবে তাদের বুমে বাংলাদেশের কোনো পরিচিত মিডিয়ার মনোগ্রাম দেখা যায়নি।  

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) শনাক্তকারী কয়েকটি টুলের সাহায্যে যাচাই করে দেখা যাচ্ছে, ২০ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি এআই দ্বারা নির্মিত। আনডিটেক্টেবল (Undetectable) এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এটি এআই দ্বারা তৈরির সম্ভাবনা ৯৭%। হাইভ মডারেশনের (Hivemoderation) বিশ্লেষণে, এখানকার ভিডিও এবং অডিও উভয়ই এআই দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে।

এই ভিডিও থেকে কয়েকটি স্ক্রিনশট নিয়ে এআই শনাক্তকারী টুলের সাহায্যে বিশ্লেষণ করে দেখা গেল, এগুলো এআই দ্বারা নির্মিত। এক্ষেত্রে ব্যবহৃত টুলগুলোর মধ্যে ছিল হাইভ মডারেশন, ডিকপি, সাইট ইঞ্জিন, আনডিটেক্টেবল ইত্যাদি । 

এই ভিডিওর ১৫ তম সেকেন্ডে তনিকে বলতে শোনা যায়, “জামায়াতের আমির যদি সমতা চলে আসে, তাহলে আমি আর পতিতালয়ের কাজ করতে পারবো না।”

এখানে ‘সমতা চলে আসে’ বাক্যাংশটি কোনো অর্থ বহন করে না। এআই এর নির্মাণ ত্রুটির ফলে এই ধরনের অর্থহীন বাক্যাংশ তৈরি হতে পারে। এছাড়া উদ্যোক্তা ফাতিমা তনি নিজেকে সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য পেশায় পরিচয় দিয়ে সাক্ষাৎকারে কথা বলাটাও অবাস্তব, যা এআই নির্মিত ভিডিওতেই সম্ভব।  

Saudi Point নামক একটি প্রোফাইল থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ভোররাত ৪টা ২৮ মিনিটে এই ভিডিওটি প্রথমবারের মত আপলোড করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। পরবর্তীতে এই ভিডিওটি কমপক্ষে ২০০ বার ভিন্ন ভিন্ন প্রোফাইল বা পেজ থেকে পুনরায় আপলোড করা হয়। 

ভিন্ন আরেক ভিডিওতে ফাতিমা তনিকে আরেকটি সংবাদ সম্মেলনে বলতে শোনা যায়, “আমার বুড়া জামাই মারা গেছে অনেকদিন হল। ঠিকমত হোটেলে খ্যাপ মারতে যেতে পারছি না। ……এদিকে জামায়াতের আমির বলতেছে, বাংলাদেশে কোনো আবাসিক হোটেল থাকবে না। আমি এই নারী বিদ্বেষী মানি না। আমার বক্তব্য স্পষ্ট। আমাকে খেপ মারার সুযোগ করে দিন।”

(এই ভিডিওযুক্ত কয়েকটি পোস্ট দেখতে পাবেন এখানে,এখানে

এই বক্তব্যেও বাক্যগঠনে অসংলগ্নতা দেখা যাচ্ছে (যেমন- আমি এই নারী বিদ্বেষী মানিনা)। ভিডিওতে কেন্দ্রীয় বক্তা হিসেবে তনির অবস্থানও অস্বাভাবিক। সংবাদ সম্মেলনের কেন্দ্রীয় বক্তা হিসেবে নয়, বরং আলোচনায় অংশগ্রহণকারী একজন হিসেবেই তাকে একটি চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে, কিন্তু তার সামনে বেশ অনেকগুলো টিভি চ্যানেলের বুম রাখা আছে। এছাড়া ফটো সাংবাদিকরা যেদিক থেকে ছবি তুলছে বা ভিডিও করছে, তিনি তার সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে তাকিয়ে কথা বলছেন।


এআই শনাক্তকারী টুলগুলোর সাহায্যে এই ভিডিও , এবং ভিডিওর স্ক্রিনশট বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, এটিও এআই দ্বারা তৈরি। এক্ষেত্রে ব্যবহৃত টুলগুলোর মধ্যে ছিল হাইভ মডারেশন, ডিকপি, সাইট ইঞ্জিন, আনডিটেক্টেবল ইত্যাদি ।

তৃতীয় আরেকটি ভিডিওতে ফাতিমা তনিসহ সচেতন নাগরিক সমাজের ৩ জনকে ২০ ফেব্রুয়ারির সংবাদ সম্মেলনের ব্যানারের সামনে দেখা যায়। এখানে তনিকে উপরে উল্লেখিত কথাই বলতে শোনা যায় ( আমার বুড়া জামাই মারা গেছে অনেকদিন হল। ঠিকমত হোটেলে খ্যাপ মারতে যেতে পারছি না……)। তবে সংলাপ একই থাকলেও এখানে তার কণ্ঠ এবং উচ্চারণ ভিন্ন ছিল। 

Mun AI Bangla’ নামক ফেসবুক পেজে ২১ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে প্রথমবারের মতো এই ভিডিওটি দেখা যায়। একই ভিডিওযুক্ত আরো কয়েকটি ফেসবুক পোস্ট দেখতে পাবেন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে। 

‘জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা মহানগর উত্তর আদাবর থানা’ নামক পেজ থেকেও এই ভিডিও আপলোড করতে দেখা যায়।

এই ভিডিওটি অনেকটা অ্যানিমেশন বা কার্টুনের মত হওয়ায় সচেতন ফেসবুক ব্যবহারকারীর পক্ষে বেশ সহজেই এটা কৃত্রিম হিসেবে শনাক্ত করা তুলনামূলকভাবে সহজ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শনাক্তকারী টুলগুলো ব্যবহার করেও নিশ্চিত হওয়া গেল যে এটি এআই দ্বারা নির্মিত।

ম্যাসেঞ্জারে আলাপের স্ক্রিনশট


রোবাইয়াত ফাতিমা তনির ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডির সাথে একটি সংক্ষিপ্ত চ্যাট ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই স্ক্রিনশট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে, এখানে প্রোফাইলয়ের নামের  নিচে ফেসবুক প্রোফাইল লিংক অনুপস্থিত। ম্যাসেঞ্জারে ফ্রেন্ডলিস্টের বাইরের যেকোনো ব্যবহারকারীর সাথে চ্যাট করার ক্ষেত্রে নামের নিচে এই লিংক বা ইউজারনেমটা দেখা যায়। ফলে, এই চ্যাট এর স্ক্রিনশট প্রযুক্তির সহায়তায় এডিট করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

ফ্রেন্ডলিস্টের বাইরের (বা পূর্বে কখনো চ্যাট হয়নি এমন) কারো সাথে মেসেঞ্জারে চ্যাট করার সময় মোবাইলে চ্যাট ওপেন করা হলে এভাবে প্রোফাইল নাম দেখা যায়, তার নিচে সাধারণত প্রোফাইলের লিংক প্রদর্শিত হয়। এর নিচে লেখা থাকে You’re not friends on Facebook. কোনো মিউচুয়াল ফ্রেন্ড থাকলে তাদের কয়েকজনের নামও দেখা যায় এই অংশে।

এর নিচে ফ্রেন্ড লিস্টে যুক্ত করার আইকন, এবং প্রোফাইল ভিজিট করার আইকন থাকে।তার নিচে বেশ ছোট হরফে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশনের নিশ্চয়তা বার্তা থাকে। এই প্রতিবেদক রোবাইয়াত ফাতিমা তনির প্রোফাইল ভিজিট করে বার্তা পাঠানোর চেষ্টা করতে গিয়ে এমনটাই দেখতে পেয়েছে।

অন্যদিকে, ফ্রেন্ডলিস্টের (বা অতীতে চ্যাট হয়েছে এমন) কারো সাথে চ্যাট করার জন্য মোবাইল থেকে চ্যাট ওপেন করা হলে, সবার উপরে ডানদিকে ভয়েস কল এবং ভিডিও কলের আইকন দেখা যাবে, যা এই স্ক্রিনশটে অনুপস্থিত। এখান থেকে প্রমাণিত হয় যে এই আলাপ যার সাথে হয়েছে তিনি ফাতিমা তনির ফেন্ডলিস্টের বাইরের কেউ, বা পূর্বে চ্যাট হয়নি এমন কেউ। এক্ষেত্রে, তাদের আলাপের স্ক্রিনশটটা যথাযথ নয় বলে প্রমাণিত হচ্ছে। 

এছাড়া স্ক্রিনশটে থাকা ফন্টের মধ্যেও অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করা যায়। একেক জায়গায় একই অক্ষর একেক ফরমেটে দেখতে পাওয়া যায়।

এই চ্যাটের স্ক্রিনশটযুক্ত কয়েকটি ফেসবুক পোস্ট দেখতে পাবেন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে,এখানে


ফটোকার্ড 

ফাতিমা তনিকে নিয়ে তৈরি করা একটি ফটোকার্ডে দেখা যাচ্ছে, “জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় আসলে দেহব্যবসা করা যাবে না’’- এমন একটি উদ্ধৃতি তনি বলেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। স্যাটায়ার পোর্টাল হিসেবে পরিচিত আনোয়ার টিভি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ভোর ৩ টা ২৭ মিনিটে প্রথমবারের মত  এই ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে অনেকে আনোয়ার টিভির নাম ও লোগোযুক্ত অংশ বাদ দিয়ে এই কার্ড শেয়ার করছেন। এমন কয়েকটি পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে। 

ভিন্ন একটি ফটোকার্ডে শিরোনাম ছিল – “রমজান মাসে আবাসিক হোটেল বন্ধ, ক্ষুব্ধ তিন হোটেলকর্মী’’। এই ফটোকার্ডেরও মূল উৎস আনোয়ার টিভি নামক স্যাটায়ার পেজ। তবে পরবর্তীতে অনেকে আনোয়ার টিভির নাম ও লোগোযুক্ত অংশ বাদ দিয়ে এই কার্ড শেয়ার করছেন। এমন কিছু পোস্ট দেখুন এখানে,এখানে, এখানে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নামক গ্রুপে জনৈক তারিক জামিল এই কার্ড শেয়ার করে লিখেছেন  , “আনোয়ার টিভি মজার ছলে সবসময় আড়ালে থাকা সত্য প্রকাশ করে! অনেক নামীদামি চ্যালেন যা করতে পারে না আনোয়ার টিভি তাই করে। যেহেতু আনোয়ার টিভি নিউজ দিছে তাহলে নিউজ সত্য”

‘দৈনিক আমার দেশ’ এর আদলে তৈরি করে ‘দৈনিক আমাদের দেশ’ ফেসবুক পেজ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫ টা ৫ মিনিটে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ডে ফাতিমা তনি সহ সচেতন নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলনের ছবি ব্যবহার করা হয়। এই কার্ডের শিরোনাম ছিল – “কাপড় ব্যবসায়ীকে চামড়া ও দেহব্যবসায়ী বলে ভুলভাবে প্রচার গণমাধ্যমে।”

পরবর্তীতে আরো অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী এই কার্ডটি শেয়ার করেন। এমন কিছু পোস্ট দেখতে পাবেন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে

অনলাইনে ক্রমাগত এই ধরনের ব্যক্তিগত আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা ১৬ মিনিটে রোবাইয়াত ফাতিমা তনি তার ব্যবসায়িক পেজ থেকে এক বিবৃতিতে জানান, ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সচেতন নাগরিক সমাজ এর সংবাদ সম্মেলনে পাঠকরা স্মারকলিপির রচয়িতা ছিলেন সংগঠনের আহবায়ক নীলা ইস্রাফিল। তিনি (ফাতিমা তনি) এই স্মারকলিপি রচনা করেননি, এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল, বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো চিঠি প্রদান বা অভিযোগ দায়ের করেননি।

২২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২ টা ৪৬ মিনিটে অভিনেত্রী ও সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক নীলা ইস্রাফিল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও নিশ্চিত করেন যে সংবাদ সম্মেলনের স্মারকলিপির দায় সম্পূর্ণ তার (নীলা ইস্রাফিলের) । তিনি জানান, “সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত রুবায়েত ফাতেমা তনি বা অন্য যে কেউ তারা কেউ এই চিঠির প্রণেতা নন এবং এর বিষয়বস্তুর জন্য কোনোভাবেই দায়ী নন। তারা কেবল আমার অনুরোধে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন বা উপস্থিত ছিলেন।’’

Claim:
সচেতন নাগরিক সমাজের (Conscious Civic Society) উদ্যোগে সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলন হয়। সেখানে সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের একটি বক্তব্যকে সাংঘর্ষিক দাবি করে দলটির নিবন্ধন বাতিল সহ কয়েকটি দাবি জানানো হয়। এই সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে অভিনেত্রী নীলা ইস্রাফিল এবং সদস্য সচিব হিসেবে নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনির নাম জানানো হয়। গত ২০ ফেব্রুয়ারি গুলশান পুলিশ প্লাজাতে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সচেতন নাগরিক সমাজের বিবৃতি বা চিঠিটা ফাতিমা তনিই পাঠ করেছিলেন। এই সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে ফাতিমা তনিকে ঘিরে অনলাইনে ব্যক্তিগত আক্রমণ দেখা যাচ্ছে। তাদেরকে ঘিরে কয়েকটি গুজবও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে । এমন কয়েকটি অপতথ্য নিয়ে ফ্যাক্টওয়াচের এই ফ্যাক্টফাইল।

Claimed By:
Facebook Users

Rating:
False

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh