মাথায় গুলি করে খুনের ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়, ইকুয়েডরের  

64
মাথায় গুলি করে খুনের ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়, ইকুয়েডরের  
মাথায় গুলি করে খুনের ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়, ইকুয়েডরের  

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তিকে আরেক ব্যক্তি গুলি করে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যাচ্ছেন-এমন একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের ঘটনা। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, এটি ২০২৪ সালের ইকুয়েডরের ঘটনা। 

এ ধরণের ভিডিওগুলোর কয়েকটি এখানে, এখানে, এখানে। 

ভিডিওটি থেকে বিভিন্ন কি-ফ্রেম নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চে ইকুয়েডরের সংবাদমাধ্যম জারাকে টেলিভিশনের (Zaracay Televisión) ফেসবুক পেজে এটি পাওয়া যায়। ভিডিওটি ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই পোস্ট করা হয়। ক্যাপশন থেকে জানা যায়, ইকুয়েডরের গুয়াকিলের উত্তরে অবস্থিত এল কন্ডোর শহরে একজন নিরাপত্তারক্ষী ভাড়াটে খুনীর হাতে নিহত হয়েছেন। 

মাথায় গুলি করে খুনের ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়, ইকুয়েডরের  

একই ভিডিও এক্সে (সাবেক টুইটার) ইকুয়েডরের রেডিও স্টেশন ডাব্লিউ রেডিওর অ্যাকাউন্টেও পাওয়া যায়। এখানে ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এই পোস্টেও ভিডিওটি নিয়ে একই বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। পোস্টটি দেখুন এখানে। 

পরে আরও খুঁজে ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি নিয়ে একটি পোস্ট পাওয়া যায়। এখানে ভিডিওটি আপলোড করা হয়েছে ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই। স্প্যানিশ ভাষায় থাকা ভিডিওটির ক্যাপশন বাংলায় অনুবাদ করলে দাঁড়ায়- “ইকুয়েডরে একজন ভাড়াটে খুনি এক নিরাপত্তা প্রহরীকে খুন করেছে। রাতে এল কন্ডোর আবাসিক এলাকায় অবস্থিত কলোম্বিয়ান রেস্টুরেন্ট লা ফাণ্ডাতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এখানে সেই ভিডিও আছে, যেখানে ঠান্ডা মাথায় দুর্ভাগা এই ব্যক্তিকে হত্যা করতে দেখা যাচ্ছে।”  

মাথায় গুলি করে খুনের ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়, ইকুয়েডরের  

এছাড়া গুগলম্যাপে অনুসন্ধান করে ইকুয়েডরের ঐ এলাকার লা ফাণ্ডা রেস্টুরেন্টটির অবস্থান নিশ্চিত করা যায়।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে এটি নিশ্চিত হওয়া যায়, এক ব্যক্তিকে গুলি করে মোটরসাইকেলে করে পালানোর ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ইকুয়েডরের ২০২৪ সালের ঘটনা। তাই ফ্যাক্টওয়াচ এমন দাবিসহ পোস্টগুলোকে মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করছে।       

 

Claim:
রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তিকে আরেক ব্যক্তি গুলি করে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যাচ্ছেন-এমন একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের ঘটনা।

Claimed By:
Facebook Users

Rating:
Invalid rating

এই নিবন্ধটি ফেসবুকের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রামের নীতি মেনে লেখা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক যে ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এখানে

এছাড়া এই নিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, সম্পাদনা কিংবা আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার জন্য আবেদন করতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।

কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আমাদেরকে
ইমেইল করুনঃ contact@fact-watch.org
অথবা ফেইসবুকে মেসেজ দিনঃ facebook.com/fwatch.bangladesh